মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
পুঠিয়া উপজেলা যুবলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন পুঠিয়ায় ইনাম ফিসফিড মিলে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা বাগাতিপাড়ায় সড়ক উন্নয়নে তমাল গাছ কাটা না কাটা নিয়ে হতাশা ! জোর দাবি গাছ রেখেই উন্নয়ন করার ট্রেনের অন লাইনের টিকিট কালবাজারীদের দখলে।। প্রতারণার শিকার সাধারন যাত্রী প্রেমের টানে বাগমারা থেকে পিরোজপুর প্রেমিকের বাড়ি ছুটে গিয়ে প্রেমিকার মাথায় হাত! মানুষের প্রতি নিষ্ঠুরতা নয়, মানবিক আচরণ করতে হবে-আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ পুঠিয়ায় স্কুলভবন নির্মাণের নামে ১৮ লাখ টাকা লুটপাট রেড জোনে রাজশাহী নগরী-ঝুঁকি বিবেচনায় লকডাউনের কথা ভাবছে স্বাস্থ্য বিভাগ সরকারি প্রাথমিকে আরও একটি শ্রেণি বাড়ল পুঠিয়ায় বেসরকারী স্বাস্থ্য সেবায় ভুয়া চিকিৎসকের ছড়াছড়ি

ট্রেনের অন লাইনের টিকিট কালবাজারীদের দখলে।। প্রতারণার শিকার সাধারন যাত্রী

Avatar
Abul Kalam Azad
  • আপডেট টাইম : শনিবার ২৭ জুন, ২০২০
  • ১০ বার পঠিত
Abul Kalam Azad

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ট্রেনের টিকিট শতভাগ অন লাইনে বিক্রয়ের জন্য দিয়েছ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে করে টিকিট ক্রয়ে, ট্রেনের সকল শ্রেনীর যাত্রী, বিশেষ করে শোভন ক্লাশের যাত্রীরা প্রতারিত ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং টিকিট পেতে কালবাজারিদের নিকট জিম্মি ও নির্ভরশিল হতে হচ্ছে।

অন লাইনে শত ভাগ টিকিট বিক্রিতে, সিংহ ভাগ টিকিট কালো বাজারিদের দখলে। বাধ্য হয়ে যাত্রীদের দ্বীগুন দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে ট্রেনের টিকিট।

রেলের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি চালু হওয়ার পর ধারণা করা হয়েছিল, রেলের টিকিট ব্ল্যাকিংয়ের আর কোন সুযোগ থাকবেনা। অবৈধ উপায়ে ট্রেনের টিকিট বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে ঠিক উল্টো। অনলাইনে টিকিট বিক্রির শুরুর কিছু দিন অনেকটা নিষ্ক্রিয় থাকলেও সম্প্রতি বিভিন্ন কূটকৌশলে সাধারণ যাত্রী থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টিকিটের অতিরিক্ত টাকা। সেই সাথে ভুয়া টিকিট কিনে প্রতারিত হচ্ছেন অনেকেই। এমন বাস্তবতায় রেলে ভ্রমন করতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখিন হচ্ছেন যাত্রীরা। প্রশ্ন উঠছে রেলের যাত্রী সেবার মান নিয়েও।

বুকিং কাউন্টারে টিকিট বিক্রয়ে কিছু অসাধু বুকিং সহকারীদের যোগসাজসে কালো বাজারিদের হাতে যে টিকিট যেতো সেটা ছিলো অতি নগন্ন। যাহা বর্তমান অন লাইনে টিকিট কালো বাজারীর চেয়ে ৮০℅ এর কম ছিলো। এ ছাড়া বুকিং সহকারীসহ সকল কর্মকতাদের জবাব দিহিতা ও পর্যবেক্ষন থাকায় টিকিট কালোবাজারিরা ভয়ে প্রকাশ্যে টিকিট বিক্রয় করতে সহস পেতনা।

বর্তমানে ট্রেনের টিকিট ১০০℅ ভাগ অন লাইনে দেয়ায় ৮০ ভাগ টিকিট চলে যাচ্ছে কালো বাজারিরদের দখলে।তাই যাত্রীদের বাধ্য হয়ে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে টিকিট। এ ছাড়া স্টেশন এলাকার বাইরে প্রকাশ্যেই চড়া দামে বেচাকেনা হচ্ছে ট্রেনের টিকিট।

ভুক্ত ভোগি যাত্রীদের নিকট থেকে জানাগেছে, শোভন চেয়ারের টিকিট ৫ থেকে ৬শত টাকা, এসি চেয়ার ১ হাজার থেকে ১১ শত টাকা, ১৬ থেকে ১৮ শত টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।এদের জবাব দিহিতা না থাকায় অনেকেই রিতিমত ঘর ভাড়া করে টিকিট বিক্রির দোকান খুলে বসেছে।

যাত্রীদের চড়াদামে টিকিট কিনে প্রতারনার শিকার হওয়ারও অভিযেগ পাওয়া গেছে, যাত্রীসহ খোদ ট্রেনে কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিকট থেকে।
রানিং ট্রেনে কর্তব্যরত, কন্টাক্টর গাড, টিটি,পরিচর্য্যক, এক কথায় যারা চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের টিকিট পরিক্ষা করে তাদের প্রতিদিন পড়তে হচ্ছে ঝামেলায়। কালো বাজারিরা একই নাম্বারের অন লাইনের টিকিট একাধিক কালার প্রিন্ট করে একাধিক যাত্রীর নিকট বিক্রী করার ফলে যাত্রীদের সামাল দিতে বিড়ম্বনায় পড়ছে তারা।

যাত্রীদের দাবি, অনলাইনের টিকিট কালোবাজার যাওয়া বন্ধে জরুরী পদক্ষেপ, জরুরী ট্রেন ভ্রমন যাত্রীদের জন্য ২০ থেকে ২৫℅ টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রির বিষয়টি রেল কতৃপক্ষে বিবেচনা কার উচিত। এ ছাড়া অন লাইনের টিকিট কালোবাজার রোধে রেল কতৃপক্ষের মনিটরিং এর দাবিও যাত্রীদের।

এ ছাড়া ট্রেনের অনলাইনে টিকিট কাটার এমন টানাপোড়নে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিনই। এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে টিকিট কাটার পদ্ধতি পরিবর্তন করে পুর্বের ন্যায় । চালানোর উপর জোর আরোপ করেছেন ট্রেনের যাত্রী ও সচেতন মহল।

এছাড়া ট্রেন যাত্রী ও সুশিল সমাজ মনে করছেন, অনেকেই রেলওয়ে অ্যাপস বা অনলাইনে টিকেট ক্রয় সম্পর্কে অভিজ্ঞ নয় বা জানে না। কিন্তু চর্চা করতে করতে এক সময়ে সংশ্লিষ্ট যাত্রী অবশ্যই নিজে টিকিট করতে পারবে। তবে যাত্রীর জরুরি মুহূর্ত বিবেচনায় অন্তত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিকেট কাউন্টারে রাখা উচিত। পাশাপাশি অনলাইনে টিকিট কাটা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক। প্রয়োজনে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে রেলওয়ে অ্যাপস এবং অনলাইনে টিকিট বিক্রির বিষয়টি অবগত করা যায় ।

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ- এপস এর আধুনিকায়ন সহ সক্ষমতা অনেক বাড়াতে হবে। প্রতি টিকেট অনুযায়ী চার্জ না নিয়ে প্রতি ট্রান্সজেকশন অনুযায়ী চার্জ নিতে হবে। যা ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। জালিয়াতি রোধে শক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। রেলওয়ে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পাশ ব্যবস্থাও অনলাইন ভিত্তিক করা যুক্তিযুক্ত।

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, desk@puthianews.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন puthianews আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

নিউজ টি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ জাতীয় আরো খবর..


তারিখ অনুযায়ী সংবাদ দেখুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩,২৩৬,২৫২
সুস্থ
৭,৬৯৬,৫৫১
মৃত্যু
৫৭৫,৫৪০